বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি, অস্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ, লোডশেডিং অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতায় জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে : মির্জা ফখরুল প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে তারা, জেগে আছি আমরা— কারা সত্যিকারের শান্তিতে? পাম্পে ফুয়েল কার্ড চেক করার সময় ইউএনও’র ওপর হামলা, আহত বডিগার্ড এসএসসির প্রশ্ন দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪ ক্যান্সার আক্রান্ত মাকে বাঁচাতে আকুতি ঢাবি শিক্ষার্থী সজলের! ফুটপাতে জেনেশুনেই ‘বিষ’ খাচ্ছেন সবাই খাদ্যসংকটে থাকা শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার
বিচারকের ছেলে হত্যাকারী কে এই বিএনপি নেতার ছেলে লিমন

বিচারকের ছেলে হত্যাকারী কে এই বিএনপি নেতার ছেলে লিমন

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার লিমন মিয়া (৩৫) গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য এইচএম ছোলায়মান হোসেন শহীদের ছেলে। শহীদ মিয়া ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য লিমন পরে স্থানীয়ভাবে বালু–শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন।

পরিবারের দাবি, লিমন দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন। চিকিৎসার জন্য এক মাস আগে ঢাকায় যান। তবে ঢাকায় যাওয়ার পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল না। রাজশাহীতে কেন গিয়েছিলেন কিংবা বিচারকের পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক—এসব বিষয়ে পরিবারের কেউ কিছু জানেন না।

লিমনের বাবা শহীদ মিয়া বলেন, ‘চাকরি ছাড়ার পর থেকেই ছেলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। এলাকায় ব্যবসা করত, রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল না। এক মাস আগে চোখ দেখানোর কথা বলে ঢাকায় যায়, তারপর আর খোঁজ পাইনি। যদি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, আইন অনুযায়ী বিচার হোক।’

বিচারকের পারিবারিক সূত্রের তথ্য, বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারের বাবার বাড়ি গাইবান্ধা শহরের এটেস্ট্রেটপাড়ায়। একই জেলার হওয়ায় তাসমিন নাহার ও লিমনের পরিচয় ও যোগাযোগ গড়ে ওঠে। লিমন প্রায়ই তার কাছে আর্থিক সহযোগিতা চাইতেন। সহযোগিতা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকবার হুমকিও দিয়েছেন। সর্বশেষ ৩ নভেম্বর সকালে তাসমিন নাহারের মেয়ের ফেসবুক মেসেঞ্জারে কল করে তিনি পুরো পরিবারকে হত্যার হুমকি দেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ডাবতলায় বিচারকের ভাড়া বাসায় ঢুকে লিমন তাওসিফকে হত্যার পাশাপাশি তাসমিন নাহারকেও গুরুতর আহত করেন। পুলিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে লিমনের পরিচয় শনাক্ত করে। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা আর্থিক লেনদেনের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

এর আগে সিলেটের জালালাবাদ থানায় তাসমিন নাহার লিমনের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগে একটি জিডি করেছিলেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com